নাটোরে থানার ফুটেজ তোলায় চ্যানেল 24 এর ক্যামেরা ও সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নিলেন সদর থানার ওসি।
- রতন আলী নাটোর প্রতিনিধি
- ১২ অক্টোবর, ২০২৩



ঢাকাঃ বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসার জন্য অনতিবিলম্বে বিদেশে পাঠাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট নাগরিকেরা।
বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর ) এক বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানান। এতে তারা বলেন, আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকার পরও বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তার চিকিৎসার দায়িত্বে নিয়োজিত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জীবন বাঁচানোর জন্য তাকে অনতিবিলম্বে বিদেশে পাঠানো ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।
এদেশে কোন মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও রাজনৈতিক দলের নেতাকে বিদেশে চিকিৎসায় পাঠানোর নজীর রয়েছে। গণমাধ্যমে দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীরাও খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর পেছনে কোন আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, নাগরিকদের জীবনের অধিকার সকল রাজনীতির ঊর্ধ্বে। এটি খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার আবেদন প্রত্যাখান করে প্রদান করা আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতে প্রতিফলিত হয়নি।
যেহেতু চিকিৎসকদের মতে বেগম খালেদা জিয়ার জীবন বাঁচাতে তাঁকে অনতিবিলম্বে বিদেশ পাঠানো অত্যাবশ্যক এবং আইনজীবীদের মতেও তাঁকে বিদেশে পাঠানো সম্ভব, তাই এ বিষয়ে আমরা আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত পুনর্বিবেচনা করার এবং চিকিৎসার জন্য বেগম জিয়াকে অনতিবিলম্বে বিদেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার এ ধরনের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাতে অনীহা হলে তা শুধু খালেদা জিয়ার জীবনই বিপন্ন করবে না, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও নতুন বিপর্যয় সৃষ্টি করবে বলে আমরা মনে করি।
বিবৃতিদাতারা হলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, ব্রতীর প্রধান শারমিন মুরশিদ, আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক, পরিবেশকর্মী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ, আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম, অধ্যাপক সি আর আবরার, অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, অধ্যাপক স্বপন আদনান, অধ্যাপক হেলাল মহিউদ্দীন, মানবাধিকার কর্মী শিরিন হক, নূর খান লিটন, রেহনুমা আহমেদ, হানা শামস আহমেদ, নারী নেত্রী ফরিদা আখতার, ডা. নায়লা জেড খান, অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সংস্কৃতিকর্মী অরূপ রাহী, সাংবাদিক সায়েদা গুলরুখ, সমাজকর্মী নাসের বখতিয়ার আহমেদ।

ফাইল চিত্র
ঢাকাঃ আমেরিকারও মুরুব্বি যারা তাদের সাথে কথা বার্তা শেষ, ফখরুল সাহেব দিল্লী বহু দূর। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি পিটার হাসের কাছে সকালেও নাস্তা করতে যায়, দুপুরে যায় লাঞ্চ করতে, রাতে যায় ডিনার করতে। আমি জানি না পিটার হাস তাদের কী স্বপ্ন দেখিয়েছে। তবে ক্ষমতার স্বপ্ন দেখিয়ে লাভ নেই।
‘পিটার হাস সাহেব কী করবেন, ভিসা নীতি দেবেন? কী করবেন, নিষেধাজ্ঞা দেবেন? উপরে পিটার হাস সাহেবের মুরুব্বিদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়ে গেছে, আমেরিকারও মুরুব্বি যারা তাদের সাথে কথা বার্তা শেষ, উচ্চ পর্যায়েও কথা বার্তা হয়ে গেছে, কখন? তলে তলে যখন সব শেষ তখন আর এসব করে লাভ কী! পিটার হাসকে দেখিয়ে নির্বাচন বন্ধ করবেন, ঢাকায় তাণ্ডব করবেন—সে খেলা খেলতে দেবো না।’
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আয়োজিত শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা নজিরবিহীন নিরপেক্ষ নির্বাচন করবেন। ফখরুল সাহেব নির্বাচনে না এলে আমও যাবে ছালাও যাবে। মির্জা ফখরুল এখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারে লাশ নিয়ে টানাটানি করতেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার মরা লাশ, আজিমপুরের গোরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত।’
‘নির্বাচন হবে বাংলাদেশে, শেখ হাসিনা বেঁচে থাকলে এদেশে নির্বাচন কেউ আটকে রাখতে পারবে না। নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ উপায়ে। এদেশে নজিরবিহীন উন্নয়ন করেছেন শেখ হাসিনা, এদেশে নজিরবিহীন নিরপেক্ষ নির্বাচন শেখ হাসিনাই করবে।’
বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, দুনিয়াব্যাপী আপনারা বদনাম করছেন। দেশে দেশে বদনাম করছেন। কাজেই বদনাম ঘোচানোর জন্য শেখ হাসিনা এমন নির্বাচন করবেন যেটা হবে নজিরবিহীন।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির সমাবেশ সঞ্চালনা করেন।




সৌদি প্রবাসী বর আব্দুল হাকিম চিত্রঃ সংগৃহীত
ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হেলিকপ্টারে চড়ে এলেন বিয়ে করতে বর শ্বশুরের আবদার মেয়ের জামাইকে আসতে হবে হেলিকপ্টারে চড়ে। যেই কথা সেই কাজ। জামাইও শ্বশুরের আবদার রাখতে এলেন হেলিকপ্টারে চড়ে।
মেয়ের বিয়ের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে জামাইয়ের কাছে এমন আবদার করেন কনে রোমা আক্তারের বাবা সাবেক মেম্বার আরাফাত আলী।
এদিকে হেলিকপ্টারে বিয়ে হওয়া নবদম্পতিকে দেখতে ভিড় করেন শত শত উৎসুক জনতা। উপচেপড়া মানুষের ভিড় সামলাতে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে পুলিশ।
বিয়ের পর বিকালে আব্দুল হাকিম নববধূকে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে গোয়ালনগর মাঠে অবতরণ করেন।
কনের বাবা আরাফাত আলী জানান, মেয়ে আমার সন্তানদের মধ্যে বড়। আমার আদরের রাজকন্যাকে নিতে হবে হেলিকপ্টারে করে, এটা আমার চাওয়া ছিল। জামাই আমার আবদার রেখেছে। এজন্য আমি অনেক খুশি। আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন।
বিয়ের দাওয়াতে আসা ও চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল হক তালুকদার বলেন, বর-কনে উভয়েরই হাওর এলাকায় বসবাস। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এসব এলাকায় হেলিকপ্টার তো দূরের কথা চার চাকার গাড়িই দেখা যায় না। এজন্য মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে সৌদি প্রবাসী বর আব্দুল হাকিম জানান, মেয়ের বিয়ের দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখতে আমার শ্বশুরের ইচ্ছা ছিল জামাই যেন হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করতে আসেন। আমারও ইচ্ছা ছিল হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করব।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।

ঢাকাঃ আগামী ১৬ অক্টোবর সোমবার সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের একদফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১৬ অক্টোবর রাজধানীর নয়া পল্টনে যুবসমাবেশ করবে বিএনপি। ঐ দিন দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী যুবদলের উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়টি অবহিত করে এবং মাইক ব্যবহার করে সমাবেশ কর্মসূচি পালনে সহযোগিতা চেয়ে গত ৮ অক্টোবর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে চিঠি দিয়েছে যুবদল।
যুবসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত থাকবেন বলে যুবদলের দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতি পদমর্যাদা) কামরুজ্জামান দুলাল স্বাক্ষরিত ঐ চিঠিতে পুলিশকে জানানো হয়েছে।

মাগুরাঃ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) জন্য নতুন গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, যাদের জন্য নতুন গাড়ি কেনা হচ্ছে, তারা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য।
বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) মাগুরায় নতুন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন উদ্বোধন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বুধবার অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ডিসি ও ইউএনওদের জন্য ২৬১টি নতুন গাড়ি কেনার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে মোট ব্যয় হবে ৩৮০ কোটি টাকা। জাতীয় নির্বাচনের সময় সাধারণত ডিসিরা রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ইউএনওরা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
গাড়ি কেনা বন্ধ রাখার জন্য সরকার একটা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘সেই নিষেধাজ্ঞা এই নির্বাচনের প্রয়োজনে শিথিল করা হয়েছে বলেই গতকাল ২৬১টি গাড়ি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটা অত্যন্ত প্রয়োজন। কারণ, যাদের (ডিসি ও ইউএনও) এসব গাড়ি দেওয়া হচ্ছে, তারা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য।’
তিনি বলেন, কেয়ারটেকার সরকারের কোনো প্রভিশন (বিধান) নাই। সংবিধানে ঠিক যেভাবে আছে, সেভাবেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হলো কি, না হলো, সেটা দেখবে জনগণ। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার চায়, সব দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। দেশের প্রচলিত আইন, সংবিধান মেনেই সব দলকে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।
আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বীরেন শিকদার, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আমিত কুমার দে, জেলা প্রশাসক আবু নাসের বেগ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুন্ডুসহ অনেকে।

ঢাকাঃ নানা কর্মসূচি নিয়ে অক্টোবরজুড়ে রাজপথে সক্রিয় থাকবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নিজেদের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগও দলের কেন্দ্রের নির্দেশিত কর্মসূচির বাইরে নিজেদের কর্মসূচি ঠিক করছে।
বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের এক দফার আন্দোলনের মুখে ঢাকার রাজপথের নিয়ন্ত্রণ কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চায় না আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে ভোটের আমেজ সৃষ্টি করতে চায় দলটি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা জানিয়েছেন, এই দুই লক্ষ্য থেকে আওয়ামী লীগ এবার ঢাকার সংসদীয় আসন ধরে ধরেও সমাবেশ-মিছিলের কর্মসূচি নিয়েছে। এ মাসেই ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুটি সমাবেশে মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি বা বড় জমায়েত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৎপরতা চালাচ্ছে ক্ষমতাসীন দলটি।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানায়, আগামী নভেম্বরের শুরুতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে এটি ধরে নিয়েছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু এখন তফসিল পেছানো হতে পারে এমন একটা ধারণা দলটির ভেতরে আলোচনায় রয়েছে। যদি তফসিল পেছানো হয়, তাহলে অক্টোবরের কর্মসূচি টেনে তফসিল পর্যন্ত নেওয়ার পরিকল্পনাও করছে আওয়ামী লীগ। তবে বিএনপির কর্মসূচির ধরন কী হবে, তার ওপর ভিত্তি করে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিও পরিবর্তন হতে পারে।
আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দৈনিক বাংলা এক্সপ্রেস কে বলেন, সাধারণত তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই নির্বাচনী আমেজে চলে যায় রাজনৈতিক দলগুলো। কিন্তু এবার বিরোধী দলের এক দফার আন্দোলনের কারণে আলাদা করে নির্বাচনী প্রস্তুতির সুযোগ নেই আওয়ামী লীগের। এ জন্যই বিরোধী দলের মতো রাজপথের কর্মসূচিতে আঁকড়ে আছে ক্ষমতাসীন দলও। এরপরও কিছুটা নির্বাচনী আমেজ আনতে ঢাকায় আসনভিত্তিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ওই নেতা আরও বলেন, এতে সংসদ সদস্যদের সম্পৃক্ততা বাড়বে। জমায়েতও বড় হবে।মাসজুড়েই তাঁরা রাজপথে থাকবেন। প্রয়োজন হলে কর্মসূচি আরও বাড়বে।
১৪ অক্টোবর বিমানবন্দরের কাছে কাওলা সিভিল এভিয়েশন মাঠে জনসভা করবে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন উপলক্ষে ৭ অক্টোবরই সমাবেশটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন স্থগিত করে এখন সেই সমাবেশ করা হচ্ছে ১৪ অক্টোবর।
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সূত্র বলছে, সমাবেশের আগে মহানগর আওয়ামী লীগের যে পাঁচটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে, এর প্রায় সবই ১৪ অক্টোবরের সমাবেশ সফল করার প্রস্তুতিমূলক।
এর মধ্যে ৯ অক্টোবর গাবতলীতে সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে।
এসব কর্মসূচির সমন্বয় করছেন এমন একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশে লোক আনার মূল দায়িত্ব মহানগর উত্তরের। মহানগর দক্ষিণ, ঢাকা জেলা ও ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকেও নেতা-কর্মীদের আনা হবে। গত ২ সেপ্টেম্বর দ্রুতগতির উড়ালসড়ক চালুর দিন যেভাবে ঢাকা অচল করে সমাবেশ করা হয়, সেই রকমই সমাবেশ হবে।
২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশে বিপুল লোক জমায়েতের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে। এর বাইরে ‘উন্নয়ন ও শান্তি’ সমাবেশের নিয়মিত কর্মসূচি তো থাকবেই।
এদিকে ২৯ অক্টোবর মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে মতিঝিলে সমাবেশে বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই আয়োজনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগকে সবচেয়ে বেশি লোক জমায়েতের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মহানগর উত্তরও অংশ নেবে। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের অধীন বিভিন্ন জেলা থেকে লোক জমায়েত করার জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের নেতৃত্বে পাঁচটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগও তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আজ ঢাকার প্রতিটি আসনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে যুবলীগ। ১৬ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে যুব সমাবেশ করবে সংগঠনটি।