শিশু বায়েজিদ হত্যা মামলার আসামি শেরেকুল গণপিটুনিতে নিহত।
- আশরাফুজ্জামান সরকার, গাইবান্ধা প্রতিনিধি,
- ১৫ অক্টোবর, ২০২৩


নো কমেন্টস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান চিত্রঃ সংগৃহীত।
ঢাকাঃ ২০১৪ তে যেটা পেরেছেন, ২০১৮ তে যেটা করতে পেরেছেন, ২০২৪ সালে সেই নির্বাচন আপনি (শেখ হাসিনা) করতে পারবেন না। আওয়ামীলীগ আবারও ভোটে কারচুরির অপচেষ্টায় লিপ্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার ( ১৫ অক্টোবর ) রাজধানীর গুলশানে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা ও এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় শীর্ষক সেমিনার ও ‘নো কমেন্টস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা আগের মতোই নির্বাচন করতে চাইছেন। বিনা ভোটারেই নির্বাচিত হবেন, সেটা তো হবে না। ২০১৪ তে যেটা পেরেছেন, ২০১৮ তে যেটা করতে পেরেছেন, ২০২৪ সালে সেই নির্বাচন আপনি (শেখ হাসিনা) করতে পারবেন না। কারণ মানুষ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এবার আজ জোচ্চুরি করা যাবে না।
গণতান্ত্রিক বিশ্ব থেকে বিএনপি সাহস সঞ্চার করছে জানিয়ে তিনি বলেন, পশ্চিমা গণতান্ত্রিক বিশ্ব যেভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বিষয়ে অবস্থান নিয়েছে, তা আমাদের সাহস যোগাচ্ছে।
নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সবাই এবার রাজপথে নেমে গেছি। আমাদের দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে কোনো হতাশা নেই। যারা মাঠে আছে, তাদের মধ্যে হতাশা থাকে না।
তিনি আরও বলেন, ‘যুগপৎ আন্দোলন যারা করছি, তাদের মধ্যেও কোনো হতাশা নেই। আমাদের কত নেতাকর্মী জীবন দিচ্ছে। তবুও হতাশা নেই। বিজয় আমাদের হবেই।’
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকাঃ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবকে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান সম্পর্কে মন্তব্য করায় কেন তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। দুর্নীতির দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রায় দেওয়া বিচারপতিকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করায় তাকে আগামী ৬ নভেম্বর আদালতে তলব করেছে হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবকে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান সম্পর্কে মন্তব্য করায় কেন তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতের বিচারক থাকাকালে খালেদা জিয়াকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাজা দেন তিনি।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাইনুল হাসান বলেন, প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বেঞ্চে পাঠানোর পর বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ডিএজি মাইনুল বলেন, বিচারপতি আখতারুজ্জামানকে নিয়ে হাবিবুরের নিন্দনীয় বক্তব্য সম্পর্কে প্রধান বিচারপতিকে জানানো হয়েছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জাহিদ হোসেনের কাছে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন ১২ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ। চিত্রঃ সংগৃহীত।
ঢাকাঃ রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা ফের তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করেন। তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন ১২ দলীয় জোটের ৯ জন শীর্ষ নেতা।
এদিকে গতকাল রাতে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা ফের তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করেন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল এবং ঘুমিয়ে ছিলেন বিধায় নেতারা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে পাননি।
বেগম খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের অন্যতম সদস্য ইন্টারভনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডাক্তার শাহাবুদ্দিন তালুকদার উনার স্বাস্থ্যের ব্যাপারে ১২ দলের নেতাদেরকে ব্রিফিং করেন। পরে ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিম সাংবাদিকদের সামনে ব্রিফিং করেন।
সৈয়দ ইব্রাহিম চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া মাল্টিপ্যাল ডিজিসে আক্রান্ত। এই মুহূর্তে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করাতে হবে, যা বাংলাদেশে সম্ভব নয়। বিদেশ থেকে চিকিৎসক নিয়ে এসে অপারেশন করালেও পোস্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বাংলাদেশে নেই বলে এ দেশে উনার আর কোনো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার বলেছেন, বেগম জিয়ার মতো দৃঢ় মনোবলসম্পন্ন রোগী ওনার ডাক্তারি জীবনে কখনো দেখেননি। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে উনি শারীরিক যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এর পূর্বে ওনার প্রপার ট্রিটমেন্ট হয়নি।
সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিম সকল প্রতিহিংসার ঊর্ধ্বে উঠে অনতিবিলম্বে বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর বিষয়ে সরকারপ্রধানের কাছে আবেদন করেন। দেশবাসীর কাছে বেগম জিয়ার সুস্থতার জন্য ফরিয়াদ জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন আছে। ১২ দলীয় জোটের নেতারাও আশঙ্কায় আছে। আমরা ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা এসেছিলাম। সিনিয়র চিকিৎসকরা আমাদেরকে বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেছেন। আমরা সবাই তার জন্য দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু দান করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ১২ দলীয় জোট প্রধান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, জমিয়াতে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মুফতি গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ফারুক রহমান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এর সিনিয়র সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, ইসলামী ঐক্য জোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা শওকত আমিন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির অতিরিক্ত মহাসচিব আব্দুল্লাহ আল হাসান সাকিব, জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব কাজী নজরুল ইসলামসহ জোটের নেতারা।
মতিঝিলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মিছিল। ছবি : সংগৃহীত
ঢাকাঃ কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠাসহ সব বিরোধীদলীয় নেতাকর্মী ও আলেম-উলামাদের মুক্তির দাবিতে মতিঝিলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী।
রোববার (১৫ অক্টোবর) সকালে মতিঝিল শাপলা চত্বরে এই মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তবে সমাবেশ শেষে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ করেছে জামায়াত।
এর আগে গত ১১ অক্টোবর একই স্থানে মিছিল ও সমাবেশ করে দলটির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে মিছিলটি মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে শুরু করে ইত্তেফাক মোড়ে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দক্ষিণের আমির বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক সংগঠন। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করতে চাই। আমরা ভোট এবং ভাতের অধিকারের জন্য রাস্তায় নেমেছি। তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া আমরা ঘরে ফিরব না। অবিলম্বে সংসদ ভেঙে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা মাঠে নেমেছি- এখন থেকে আমরা লাগাতার কর্মসূচি পালন করব। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করার অধিকার দিতে হবে।
তিনি প্রশাসনকে সতর্ক করে বলেন, দেশ যেমন আপনাদের দেশ আমাদেরও। আপনারা এমন পরিস্থিতি তৈরি করবেন না যাতে করে দেশ বিপদে পড়ে। পুলিশ প্রশাসন আমাদের বন্ধু। আমরা কাউকে শত্রু মনে করি না। আমরা চাই, আমাদের সব কর্মসূচি স্বাধীনভাবে পালনের অনুমতি দিতে হবে। মিছিলে ২০ হাজারেরও বেশি নেতাকর্মী উপস্থিতি ছিল বলে দাবি করেছে দলটি।
এ সময় আরও উপস্থিতি ছিলেন, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমসহ দলের অন্য নেতাকর্মীরা।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি : সংগৃহীত
ঢাকাঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শর্তহীন সংলাপ করতে চাইলে তাতে আওয়ামী লীগ রাজি হতে পারে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সংলাপ শব্দটি নিয়ে কোনো আলাপ-আলোচনা হয়নি।
রোববার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, বিএনপি চায় প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেওয়া, নির্বাচন কমিশন বাতিল করা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করা। এই চার শর্তে তারা সংলাপ করতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শর্ত নিয়ে সংলাপে বসবে না। শর্তহীন সংলাপ করতে চাইলে আওয়ামী লীগ বিবেচনা করবে।
এর আগে সংলাপের পথ বিএনপি বন্ধ করেছে ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের জবাবে গত ১১ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এটা বাজে কথা, এটা কত বড় মিথ্যা কথা আপনারা ভালো করেই জানেন। আমরা বরাবরই বলে এসেছি, একটা বিষয়ে আলোচনা হতে পারে, অন্য কোনো বিষয়ে না। সেটা হচ্ছে, নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে আলোচনা ছাড়া আর কোনো বিষয়ে আলোচনা হতে পারে না। তবে সেটা অবশ্যই সরকারকে আগে ঘোষণা দিতে হবে যে, আমরা মেনে নেব, এবার আসো নিরপেক্ষ-নির্দলীয় সরকারের বিষয়ে কথা বলি, কীভাবে হতে পারে। বাট শি মাস্ট রিজাইন।’
এদিকে রোববার সকালে অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অর্থবহ সংলাপসহ পাঁচ পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল।
চলতি মাসের ৮ থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা সফর করে যুক্তরাষ্ট্রের থিংক ট্যাংক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউটের (এনডিআই) একটি যৌথ প্রতিনিধিদল। দেশে ফিরেই প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে পাঁচটি মতামত তুলে ধরেছে।
প্রথমেই নির্বাচন ইস্যুতে সংলাপের আহ্বান করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজনীতির ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বন করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
প্রতিনিধিদল তাদের দ্বিতীয় প্রস্তাবে নির্বাচনের সময় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে অনুরোধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সব নাগরিকের ভিন্ন মতকেও সম্মান জানাতে বলা হয়েছে ।
মার্কিন নির্বাচনী মিশন তাদের তৃতীয় প্রস্তাবনা অহিংসার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকে রাজনৈতিক সহিংসতার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে আহ্বান জানিয়েছে।
সবশেষে, দেশের সব রাজনৈতিক দলকে অর্থবহ ও সমান রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে বলা হয়েছে, যেন তা স্বাধীন নির্বাচন পরিচালনার প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে।
এ ছাড়া দেশের নাগরিক যেন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে পরামর্শ দেওয়া হয় প্রতিনিধিদলের প্রস্তাবনায়।





