//

কানাডা কখনও আমেরিকার অংশ হবে না :কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী

13 মিনিট পড়ুন

 

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • ১৫ মার্চ ২০২৫
কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি
কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিছবি: রয়টার্স

কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, কানাডা কখনই যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হবে না। শুক্রবার দেশটির ২৪তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তিনি এ কথা বলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্ত করার যে হুমকি দিয়েছিলেন তা প্রত্যাখ্যান করে মার্ক কার্নি অটোয়ার রিডো হলের বাইরে সমবেত জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা কখনই, কোনো আকার বা আকৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হব না। আমরা মৌলিকভাবে একটি আলাদা দেশ।’

ব্যাংক অব কানাডা ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সাবেক এই গভর্নর বলেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ‘সম্মান প্রত্যাশা করে’। তাঁর সরকার ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ‘একত্রে কাজ করার’ উপায় খুঁজে বের করবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

কানাডায় এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে সদস্যদের ভোটে লিবারেল পার্টির নতুন নেতা বাছাই হয়। এতে মার্ক কার্নি ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিনা ফ্রিল্যান্ড পেয়েছেন ১১ হাজার ১৩৪ ভোট। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মার্ক কার্নির নাম ঘোষণা করেন লিবারেল পার্টির প্রেসিডেন্ট সচিত মেহরা। এর আগে কোনো নির্বাচনে জেতার অভিজ্ঞতা নেই তাঁর। হাউস অব কমন্সেও তার কোনো আসন নেই। এ বিষয়টি একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কানাডার ইতিহাসে তাঁকে বিরল করে তুলেছে। আগামী দিনে কার্নি একটি নির্বাচনের ঘোষণা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

কানাডার ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক আক্রমণের প্রভাব এতটাই বিস্তৃত এবং এতটাই ক্ষতিকর যে, আগামী মাসগুলোতে এটি অন্যান্য সব বিষয়কে ছাপিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য শুল্ক যদি দীর্ঘ সময় ধরে বহাল থাকে, তবে এটি কানাডার ভঙ্গুর অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

গত শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, অর্থনৈতিকভাবে বলতে গেলে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হলে দেশটির জন্য ভালো হবে। তাঁর এই মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে মার্ক কার্নি বলেন, এটা পাগলামি ছাড়া আর কিছু নয়।

গত শুক্রবার সকালে জাস্টিন ট্রুডো আনুষ্ঠানিকভাবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেন। প্রায় এক দশক তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

 

 

 

মতামত দিন

Your email address will not be published.