//

সীমান্তরক্ষীসহ ৩৩০ জনকে কাল ফেরত পাঠানো হবে: বিজিবি

12 মিনিট পড়ুন
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

 

 

 

 

 

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির কয়েকজন সদস্য
মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির কয়েকজন সদস্যছবি: সংগৃহীত

 

বাংলাদেশে ঢুকে পড়া মিয়ানমারের সেনা, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য, শুল্ক কর্মকর্তাসহ ৩৩০ জনকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ফেরত পাঠানো হবে।

আজ বুধবার দুপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দপ্তরের জনসংযোগ বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। বার্তাটি পাঠিয়েছেন বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম।

বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যসহ ৩৩০ জনকে বিজিবির সার্বিক তত্ত্বাবধানে কক্সবাজারের ইনানীর নৌবাহিনী জেটিঘাট থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় দেশটির কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ চলছে।

ইতিমধ্যে বিজিপিকে হটিয়ে তুমব্রু রাইট ক্যাম্প ও ঢেঁকিবনিয়া সীমান্তচৌকি আরাকান আর্মি দখলে নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত তিনটা থেকে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গোলাগুলি ও মর্টার শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটছে।

পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের জলপাইতলী গ্রামের একটি রান্নাঘরের ওপর মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টার শেলের আঘাতে দুজন নিহত হন। নিহত দুজনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নারী, অন্যজন রোহিঙ্গা পুরুষ।

সংঘাতকালে মিয়ানমার সেনা, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য, শুল্ক কর্মকর্তাসহ ৩৩০ জন বাংলাদেশে ঢুকে পড়েন। তাঁরা বর্তমানে বিজিবির হেফাজতে আছেন।

আজ সকাল থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তের ওপার দিয়ে থেকে থেমে গোলাগুলি শব্দ আসছে।

গোলাগুলি পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় সীমান্ত এলাকার লোকজনের আতঙ্কে এখনো কাটেনি। তবে আগের চেয়ে গোলাগুলির শব্দ কম আসায় লোকজন স্বাভাবিক কর্মব্যস্ততায় ফেরার চেষ্টা করছে। সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন জমিতে লোকজনকে কাজ করতে দেখা গেছে।

 

 

 

মতামত দিন

Your email address will not be published.