//

ড. ইউনূসের ৬ মাসের কারাদণ্ড

10 মিনিট পড়ুন
  • জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
  • ১ জানুয়ারি ২০২৪

 

 

 

আদালত থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ড. ইউনূস।

 

শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলায় আদালত ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘যে দোষ করিনি, সেই দোষের শাস্তি পেলাম। এটাকে ন্যায়বিচার যদি বলতে চান, তাহলে বলতে পারেন।’

আদালত থেকে বের হয়ে আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ড. ইউনূস বলেন, ‘আজকে ইংরেজি বছরের প্রথম দিন। সারা দুনিয়া এটা পালন করে বছরের প্রথম দিন হিসেবে। এটা আনন্দের দিন হিসেবে সবাই উৎসব করে।’

‘২০২৪ সালের প্রথম দিন আজকে। আমরা আজকে আদালতে এসেছিলাম রায় শোনার জন্য। এসে মনটা ভরে গেল, আমার বহু বন্ধু-বান্ধব এখানে পেয়ে গেলাম, যাদের সঙ্গে আমার বহুদিন দেখা হয়নি।’

‘এরা আজকে এসেছে, এই আনন্দের দিনে যে কী রায় হয় দেখার জন্য। আমার কী অবস্থা দাঁড়াবে। আমি কিন্তু খুবই খুশি তাদের দেখে। মনটা ভরে গেল। বহুদিন পরে যারা বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছে, ছুটিতে এসেছে। এক জায়গায় একত্র হওয়ার সুযোগ পেলাম আমরা।’

মামলার রায়ের বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ব্যারিষ্টার মামুন সাহেব (ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন) ব্যাখ্যা করবেন। তবে আমাদের মনে দুঃখটা রয়ে গেল আজকে। এই আনন্দের দিনে এই আঘাতটা পেলাম।’

ড. ইউনূস

 শ্রম আদালতের বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানা রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহান। তাদেরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

ড. ইউনূসসহ আসামিদের শ্রম আইনের ৩০৩ (ঙ) ধারায় সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে ৩০৭ ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন আদালত।

মতামত দিন

Your email address will not be published.