//

ডামি প্রার্থী মানে এই না যে তাকে দিয়ে দলীয় প্রার্থীকে হারাতে হবে, আব্দুর রহমান

14 মিনিট পড়ুন
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ৩ ডিসেম্বর ২০২৩

আ. লীগের ডামি প্রার্থী

ফরিদপুরে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

 

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, মধুখালী) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রহমান ‘ডামি’ প্রার্থীর ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

আজ রোববার ফরিদপুরে জেলা আওয়ামী লীগের এক বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আব্দুর রহমান এ ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

আব্দুর রহমান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যে ডামি প্রার্থী রাখতে বলেছেন সেটা সব জায়গায় নয়।’

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বিভিন্ন আসনে ‘ডামি’ প্রার্থী রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সেদিনের বক্তব্যের উল্লেখ করে আব্দুর রহমান বলেন, ‘সেদিন গণভবনে কী ঘটেছিল। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সবাই সেদিন শেখ হাসিনাকে বলেছিলেন, আমরা আপনার ওপরই দায়িত্ব দিলাম। তখন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, আমি যাকে মনোনয়ন দেব আপনারা সবাই তার পক্ষে কাজ করবেন। তবে কেউ যদি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন তাহলে তার খবর আছে। ডামি প্রার্থী দাঁড় করিয়ে নির্বাচন করতে হবে।’

আব্দুর রহমান ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘ডামি প্রার্থী ও স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী এক নয়। যেসব আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছাড়া অন্য কেউ মনোনয়ন জমা নাও দিতে পারেন, এমন অনুমেয় হলে সংশ্লিষ্ট আসনে নৌকার প্রার্থী নিজ দলের কাউকে প্রার্থী মনোনীত করবেন। এমনটাই বোঝানো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে কেউ কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নৌকাকে পরাজিত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। এটা দলীয় শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না।’

‘তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছেন,’ যোগ করেন তিনি।

জেলার নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র নেতা বলেন, ‘ডামি প্রার্থীর নামে যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, তাদের কর্মকাণ্ডের ছবি সংগ্রহ করুন। ১৭ তারিখ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। এর মধ্যে তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করলে ১৮ বা ১৯ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সীমিত আকারে হলেও বসে তাদের বহিষ্কারের সুপারিশ করে কেন্দ্রে পাঠান।’

‘কেন্দ্রের ওই সভায় সৌভাগ্যবশতই হোক আর দুর্ভাগ্যবশত হোক আমি থাকব। আপনাদের ওই সুপারিশ কীভাবে পাস করা যায় তা আমি দেখব,’ বলেন তিনি।

পরে আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

মতামত দিন

Your email address will not be published.