//

খাদিজাকে দেরিতে মুক্তি দেওয়ার ব্যাখা দিল কারা কর্তৃপক্ষ

16 মিনিট পড়ুন
  • জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
  • ২০ নভেম্বর ২০২৩
facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button

কাশিমপুর কারাগেটের সামনে খাদিজাতুল কুবরা। ছবি সংগৃহীত

কাশিমপুর কারাগেটের সামনে খাদিজাতুল কুবরা। ছবি সংগৃহীত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলায় সাজাপ্রাপ্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা জামিনের পর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছে। সোমবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে দীর্ঘ প্রায় ১৫ মাস পর জামিনে মুক্তি পান তিনি।

সর্বোচ্চ আদালতের জামিন আদেশের পরও পরীক্ষার আগের দিন কেন তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হতে পারেননি, এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষকে ব্যাখ্যা জানানোর নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।

এ বিষয়ে আপিল বিভাগে ব্যাখ্যা দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, সন্ধ্যার পর আসামি ছাড়ার নিয়ম নেই, তাই রোববার আদেশ পেয়েও কারামুক্ত করা যায়নি খাদিজাকে। পরে সোমবার সকাল ৯টার দিকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

এর আগে খাদিজার আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ৬ সদস্যের আপিল বেঞ্চে বিষয়টি নজরে আনেন।

গত বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) খাদিজার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। পরে জামিন আদেশ কারাগারে আসতে সময় লেগে যায় ৩ দিন। গতকাল রোববার (১৯ নভেম্বর) রাতে আদালতের আদেশ কারাগারে আসে।

তার মুক্তির জন্য রোববার সারাদিন তার পরিবারের সদস্যরা কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের বাইরে অপেক্ষা করেন। কিন্তু রোববার রাত ১১টা পর্যন্ত খাদিজা মুক্তি না পাওয়ায় তাকে ছাড়াই তারা ফিরে যায়।

খাদিজার বোন সিরাজুম মুনিরা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কুরিয়ারের বাইকে করে সন্ধ্যা ৭টায় আদালতের আদেশ কারাগারে এসেছে আমি নিজে দেখেছি। এমনকি আমরা কুরিয়ারের লোকের সঙ্গে কথাও বলেছি। যখন জানতে চাইলাম কেন খাদিজাকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না, তখন এক পুলিশ সদস্য এসে আমাদের বললেন যে তারা অন্যান্য সংস্থা এবং পুলিশের ছাড়পত্রের অপেক্ষা করছেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার জন্য নাকি এ ছাড়পত্র লাগবে।

এর আগে গতকাল রোববার রাতে কাশিমপুর মহিলা কারাগারের সিনিয়র জেলসুপার শাহজাহান গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তারা রাত সাড়ে ৮টায় আদেশ পেয়েছেন। সব কয়েদিকে যেহেতু তাদের সেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাই এই আদেশ প্রক্রিয়া করতে কিছুটা সময় লাগবে। আমরা সোমবার তাকে মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করব।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরার বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ১১ ও ১৯ অক্টোবর কলাবাগান ও নিউমার্কেট থানা পুলিশ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে।

মামলার অভিযোগপত্র দেওয়ার পর ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১১ মাস ধরে তিনি কারাগারে। ইতিমধ্যে তিনি দুই সেমিস্টারের পরীক্ষা দিতে পারেননি।

খাদিজার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ গত বৃহস্পতিবার বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

মতামত দিন

Your email address will not be published.

সমসাময়িক হতে Blog