আন্তর্জাতিক ডেস্ক,
১০ অক্টোবর, ২০২৩

টেলিগ্রাম চ্যানেল ‘সাউথ ফার্স্ট রেসপন্ডার্স’ এ পোস্ট করা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, গত শনিবার দক্ষিণ ইসরায়েলের নেগেভ এলাকা
থেকে একজনকে আটক করে নিয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের এক সদস্য। ছবি: এএফপি
ইসরায়েলের সঙ্গে এখনই বন্দি বিনিময়ের কোনো সুযোগ নেই বলে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
হামাস কর্মকর্তা হোসাম বদরান বলেন, ‘সংঘাত এখনো চলছে। তাই এখনই বন্দি বিনিময় বা অন্য কিছু নিয়ে আলোচনার কোনো সুযোগ নেই।’এদিকে, বন্দি বিনিময়ের বিষয়ে কাতারের পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য হামাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাসের হাতে জিম্মি ইসরায়েলি নারী ও শিশুদের মুক্তির বিষয়ে কাতারের কর্মকর্তারা যোগাযোগ করেছে। সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলে আটক ৩৬ ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়েও তেলআবিবকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে এ প্রস্তাবের বিষয়ে পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা হয়।
গত শনিবার গাজা থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে অতর্কিতে হাজারো রকেট ছোড়া হয়। সেই সঙ্গে হামাস যোদ্ধারা ইসরায়েলে ঢুকে হামলা চালায়। ভিডিওতে দেখা যায়, হামাস যোদ্ধারা বিভিন্ন গাড়ি, গলফ কার্ট, ভ্যান ও মোটরসাইকেলে করে ইসরায়েলের নাগরিক ও সেনা সদস্যদের গাজা উপত্যকায় নিয়ে গেছে।ইসরায়েলের শতাধিক সামরিক ও বেসামরিক নাগরিককে জিম্মি করার কথা দাবি করেছে হামাস। তারা বলেছে গাজার বিভিন্ন জায়গায় তাদেরকে রাখা হয়েছে।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি থাকা ফিলিস্তিনিদের মুক্তির জন্য একটি চুক্তি করতে তারা ‘জিম্মি’ ইসরায়েলিদের ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে।
