আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৯ অক্টোবর,২০২ 
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ হামলা-পাল্টা হামলায় জ্বলছে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস হঠাৎ করেই আগ্রাসী হামলা চালানোয় টালমাটাল বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দেশের হাজার হাজার রকেট ছুড়ে ইসরায়েলকে রীতিমতো বিধ্বস্ত করে দিয়েছে হামাস। জবাব দিতে দেরি করেনি ইসরায়েলও; একের পর এক বিমান হামলায় জ্বালিয়ে দিয়েছে ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজাকে। উভয়পক্ষের রক্তক্ষয়ী এ যুদ্ধে এখনো পর্যন্ত হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। আহতও হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।
কিন্তু ইসরায়েলি শক্তিশালী নিরাপত্তা বাহিনীর চোখে ধুলো দিয়ে মুহুর্মুহু রকেট হামলা, দেশের ভেতরে ঢুকে ইসরায়েলি সেনাদের আটক করার যে দুঃসাহ হামাস দেখিয়েছে, তা অবাক করে দিয়েছে বিশ্বকে। এখন ঘুরে ফিরে একটি প্রশ্নই সামনে আসছে- হামাসের এ হামলা অতর্কিতে নাকি পরিকল্পিত। এ নিয়ে একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ফিলিস্তিনের এ হামলা পূর্বপরিকল্পিত। আগে থেকে পরিকল্পনা করে সেভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এ ছাড়া একটি দেশ এ হামলার পরিপূর্ণ মদদদাতা হিসেবে রয়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, এ হামলার মূল মদদদাতা দেশ হলো ইরান। তাদের সঙ্গে গত আগস্ট মাস থেকে এ হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরপর গত সোমবার সবশেষ এ পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন দেন ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। এজন্য লেবাননের রাজধানী বৈরুতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবেদনে হামাস ও হিজবুল্লাহর সিনিয়র সদস্যদের বরাতে বলা হয়েছে, হামলার বিষয়ে ইরানের ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) সঙ্গে কাজ করেছে হামাস। তাদের সঙ্গে পরিকল্পনা করে আগস্টে আকাশ, স্থল ও সমুদ্রপথে হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। এ হামলা গত এক দশকের মধ্যে ইসরায়েলের অন্যতম ভয়াবহ অধ্যায়।
জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি এ হামলার পরিকল্পনায় বৈরুতে বৈঠকে সব চূড়ান্ত হয়েছিল। ওই বৈঠকে আইআরজিসির কর্মকর্তা ছাড়াও ইরান সমর্থিত জঙ্গি সংগঠনের চার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
