//

বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ

15 মিনিট পড়ুন
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

 

 

facebook sharing button
messenger sharing buttonআজ বিশ্ব খাদ্য দিবস
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button
copy sharing button
print sharing button

আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস। ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূর করা, সবার জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা এবং খাদ্যনিরাপত্তা বিষয়ে বৈশ্বিক সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতি বছর এদিনে দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের উদ্ভাবন আগামী সমৃদ্ধি’।

কৃষি মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) যৌথ উদ্যোগে বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হবে।

এ উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং টেকসই খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে।

জলবায়ু পরিবর্তন, ভূরাজনৈতিক সংঘাত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে বিশ্বজুড়ে খাদ্যনিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। খাদ্যের উৎপাদন ও সরবরাহের পাশাপাশি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিভিন্ন বৈশ্বিক মূল্যায়নে প্রায় ২৬ কোটি মানুষের তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভোগার চিত্র উঠে এসেছে।

বাংলাদেশেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন এবং মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে কৃষি উৎপাদন, নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা ও মানুষের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে এসব এলাকার দরিদ্র পরিবার ও শিশুরা অপুষ্টির বাড়তি ঝুঁকিতে রয়েছে।

১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। বিশ্বজুড়ে ক্ষুধা দূর করা, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো সংস্থাটির অন্যতম লক্ষ্য।

১৯৭৯ সালে হাঙ্গেরির তৎকালীন কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী পল রোমানি বিশ্ব খাদ্য দিবস পালনের প্রস্তাব দেন। ওই বছর এফএওর সম্মেলনে ১৬ অক্টোবর দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৯৮১ সাল থেকে প্রতিবছর নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

এর মধ্য দিয়ে খাদ্যকে কেবল ব্যক্তিগত প্রয়োজন হিসেবে নয়; বরং মানুষের মৌলিক চাহিদা এবং বৈশ্বিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনার বার্তা দেওয়া হয়।

 

 

 

মতামত দিন

Your email address will not be published.

সমসাময়িক হতে Blog