//

পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নগরবাসীকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান মেয়রের

15 মিনিট পড়ুন
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • facebook sharing button
    messenger sharing button
    whatsapp sharing button
    twitter sharing button
    linkedin sharing button
    copy sharing button
    print sharing button
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ছবি : কালবেলা
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

 

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কেবল সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে নাগরিক সচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনে নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই। শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়; নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।’

রোববার (৩ মে) নগরীর ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ি, ২৬ নম্বর পশ্চিম মাদারবাড়ি ও ২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে চসিকের মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র নালা-নর্দমার বর্তমান অবস্থা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘নালা-নর্দমা পরিষ্কার করার পরও যদি যত্রতত্র প্লাস্টিক, পলিথিন ও গৃহস্থালি বর্জ্য ফেলা হয়, তবে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান কখনোই সম্ভব নয়। আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন, কিন্তু জনগণের সহযোগিতা ছাড়া এই শ্রম সার্থক হবে না।’

সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে আগ্রাবাদ কমার্শিয়াল এরিয়াসহ সংলগ্ন কিছু এলাকায় পানি জমে সৃষ্টি হওয়া জনভোগান্তির বিষয়ে মেয়র দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, গুলজারখাল এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেট নির্মাণকাজের জন্য অস্থায়ী বাঁধ দেওয়ায় এই সাময়িক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্লুইস গেট নির্মাণ শেষ হলে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এবং ওই এলাকার জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে।’

চসিক মেয়র জানান, বর্তমানে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ হিজড়া খাল ও জামালখান খালের সংস্কারকাজ পুরোদমে চলছে। সংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করার কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত বছরের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘গত বছর আমরা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসনে সফল হয়েছি। চলমান খাল সংস্কার ও ড্রেনেজ উন্নয়নকাজ শেষ হলে নগরবাসী এর পূর্ণ সুফল পাবে।’

পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলাকে একটি ‘সামাজিক দায়িত্ব’ হিসেবে অভিহিত করে মেয়র স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা ও পাশের নালা পরিষ্কার রাখার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। এই অভ্যাস গণআন্দোলনে রূপ নিলে চট্টগ্রামসহ দেশের সব শহর আরও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।

পরিদর্শনকালে চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা মেয়রের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

 

মতামত দিন

Your email address will not be published.