//

সাগর-রুনি মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে হাজির হয়ে অগ্রগতি দাখিলের নির্দেশ

14 মিনিট পড়ুন
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১২ আগস্ট ২০২৫
facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button
সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি। ছবি : সংগৃহীত
সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি। 

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে হাজির হয়ে অগ্রগতি দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১১ আগস্ট) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের অতিরিক্ত এসপি মো. আজিজুল হক আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমান আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করেন। ওই ধার্য তারিখে তদন্ত কর্মকর্তাকে সশরীরে হাজির হয়ে মামলার তদন্তের অগ্রগতি কতটুকু তা দাখিল করতে নির্দেশ দেন আদালত।

এদিকে প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ১২০ বার তারিখ পেছানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

এর আগে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ আটজনকে আসামি করা হয়। বাকি আসামিরা হলেন, বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদকে আসামি করা হয়।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন শেরেবাংলা নগর থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই)। ৪ দিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদ্‌ঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর দম্পতি সাগর ও রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এরপর গত ১৮ অক্টোবর পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কমিটিকে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলা হয়। তবে এখনো তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারেনি টাস্কফোর্স।

 

 

 

 

 

 

মতামত দিন

Your email address will not be published.

সমসাময়িক হতে Blog