//

খামেনি ইসরায়েলের হত্যা পরিকল্পনা থেকে যেভাবে বেঁচে গেলেন

12 মিনিট পড়ুন
  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • ২৭ জুন ২০২৫
facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
দ্য ইকোনমিক টাইমস
linkedin sharing button
copy sharing button
print sharing button
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি : সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

সম্প্রতি ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল ইসরায়েল। তবে সময়মতো গোপন স্থানে আত্মগোপনে যাওয়ার ফলে প্রাণে বাঁচেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।

বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের ক্যান পাবলিক ব্রডকাস্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাটজ বলেন, ‘যদি খামেনি আমাদের নাগালের মধ্যে থাকতেন, আমরা তাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতাম। কিন্তু তিনি ঝুঁকি বুঝতে পেরে আগেভাগেই আত্মগোপনে চলে যান এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ফলে তাকে টার্গেট করা আর সম্ভব হয়নি।’

১৩ জুন শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইসরায়েল একাধিক ইরানি শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও পারমাণবিক বিজ্ঞানীকে হত্যা করে। যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেনির জীবনের ঝুঁকির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যা ইরানে ‘শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তনের’ আভাস হিসেবেও দেখা হয়। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত মঙ্গলবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে খামেনি, জানালেন পাল্টা হুমকি

প্রায় এক সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত একটি ভিডিওবার্তায় প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসেন ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ক্লান্ত ও কণ্ঠস্বর ভারী হলেও তার বক্তব্য ছিল আগ্রাসী।

খামেনি বলেন, ‘আমরা কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আমেরিকার মুখে চপেটাঘাত দিয়েছি। যদি আরও উসকানি দেওয়া হয়, তবে আমরা পাল্টা প্রতিশোধ নিতে দ্বিধা করব না।’

তবে তিনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সম্পর্কে সরাসরি কিছু বলেননি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘পারমাণবিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে’ মন্তব্যকেও খামেনি গুরুত্বহীন ও অকার্যকর বলে উড়িয়ে দেন।

 

 

 

 

 

 

 

মতামত দিন

Your email address will not be published.