//

‘পাকিস্তান ইসরায়েলের পরবর্তী টার্গেট ’

12 মিনিট পড়ুন
  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • ২০ জুন ২০২৫
facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button
copy sharing button
print sharing button
পাকিস্তান ও ইসরায়েলের পতাকা। ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তান ও ইসরায়েলের পতাকা। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের পর পাকিস্তানে অভিযানের হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের সাবেক মন্ত্রী মেইর মাসরি। তিনি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে আরবি ও উর্দু ভাষায় একাধিক পোস্টে এই হুমকি দেন। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

মেইর মাসরি ইসরায়েলের সাবেক উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। বর্তমানে কোনো সরকারি পদে না থাকলেও ইসরায়েলের রাজনীতিতে তিনি এখনো প্রভাবশালী।

মেইর মাসরি পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে দেওয়ার দিকে মনোযোগ দেওয়ার কথা বলেন। তিনি লেখেন, ইরানের অভিযান শেষ হলে আমরা পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে দেওয়ার দিকেও মনোযোগ দিতে পারি। তিনি আরও লেখেন, পাকিস্তান ইরান থেকে খুব দূরে নয়। আপনার উপলব্ধিই যথেষ্ট।

ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান। এ ছাড়া ইরানি জনগণ ও সরকারের প্রতি দেশটির সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এ নিয়ে ইসরায়েল ক্ষুব্ধ।

পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার বলেন, পাকিস্তান সবসময় ইরানি জনগণ ও সরকারের পাশে রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান আসিম মুনিরের সখ্য বেড়েছে। বুধবার (১৮ জুন) এক মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প সেনাপ্রধান মুনিরকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানান। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

পাকিস্তানের গণমাধ্যম দৈনিক ডন লিখেছে, আসিম মুনিরই হলেন প্রথম বর্তমান কোনো সেনাপ্রধান, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করলেন। এর আগে রাজনৈতিক পদে না থাকলে বা সামরিক শাসনের অধীনে না হলে কোনো সেনাপ্রধানকেই এমন মর্যাদায় স্বাগত জানানো হয়নি।

সম্পর্কের এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি সাবেক মন্ত্রীর মন্তব্যে পাকিস্তানে আলোড়ন তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে লিখেছেন, পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তিধর। কোনো আঘাত এলে শত্রুপক্ষ অক্ষত থাকবে না।

 

 

 

 

 

 

 

 

মতামত দিন

Your email address will not be published.