//

চীন ইরানে অস্ত্র ভরা বিমান পাঠিয়েছে 

10 মিনিট পড়ুন
  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • ১৭ জুন ২০২৫
facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button
copy sharing button
print sharing button
বাঁ থেকে- সি চিন পিং অস্ত্র ভরা বিমান ও  আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ছবি : সংগৃহীত
বাঁ থেকে- সি চিন পিং অস্ত্র ভরা বিমান ও আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়েছে চীন। গোপনে দিচ্ছে অস্ত্র। ইরানের রাজধানী তেহরানে বেইজিংয়ের একটি কার্গো বিমান নামার পর থেকেই শুরু হয়েছে এমন জল্পনা-কল্পনা। মিডিয়ার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ওই বিমানটি আকাশে থাকতেই ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দিয়েছিল, যাতে রাডারে সেই বিমানের অস্তিত্ব ধরা না পড়ে। সেই থেকেই ডানা মেলেছে, নানা গুঞ্জন। তাহলে কী গোপনে ইরানকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র সরবরাহ করছে চীন?

নির্ভরযোগ্য সূত্র না থাকলেও ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া ডটকম বেশ গুরুত্ব ‍দিয়েই ওই বিমান অবতরণের খবর প্রকাশ করেছে। এভাবে ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে ওই বিমানের অবতরণের ঘটনা, গোপন কোনো অভিযানের দিকেই ইঙ্গিত করে বলে জানিয়েছে গণমাধ্যমটি। ইরানের সঙ্গে চীনের সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে। তাই ওই বিমানে সামরিক অস্ত্র বা নিষিদ্ধ কোনো পণ্য থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এমন খবরের সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

এরই মধ্যে ইরানকে হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই এমন পরিস্থিতিতে চীন যদি সত্যিই ইরানকে সহায়তা করে থাকে, তাহলে তা হবে যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের সামিল। ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের এই লড়াইয়ে ইতোমধ্যে তেহরানের পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা দিয়েছে বেইজিং। পুরোপুরি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের কথাও চীন জানিয়ে রেখেছে।

বিনা উসকানিতে শুক্রবার গভীর রাতে ইরানে অপারেশন রাইজিং লায়ন শুরু করে ইসরায়েল। এতে সামরিক শক্তিধর কয়েকটি দেশ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবসহ বাকি মুসলিম বিশ্ব ইরানের প্রতি সমর্থন জানায়। আর যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো ইসরায়েলকে সাহস ও অস্ত্রের যোগান দিয়েই যাচ্ছে।

 

 

 

মতামত দিন

Your email address will not be published.