- নিজস্ব প্রতিবেদক
- ২১ নভেম্বর ২০২৩

তৃণমূল বিএনপি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম)
নতুন নিবন্ধিত দুই রাজনৈতিক দল তৃণমূল বিএনপি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনেই প্রার্থী দিতে চায়। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। দুই দলই বলছে, বিএনপিসহ অন্য দলের যে কারও জন্য তাদের মনোনয়নের ‘দরজা’ খোলা। কারও ‘ইন্ধনে’ না, সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল রাখতেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাবি দল দুটির শীর্ষ নেতৃত্বের।
রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে, নির্বাচন সামনে রেখে কিছু ‘কিংস পার্টি’ গঠন করে বিরোধী দলগুলোতে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করছে সরকার। এই আলোচনায় অপেক্ষাকৃত নতুন নিবন্ধিত তৃণমূল বিএনপি ও বিএনএমের নাম বেশি এসেছে।
এ দলগুলোতে বিএনপির দলছুট বা অন্য দলের নেতারা ভিড়বেন এবং তাঁরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন—এমন একটা পরিকল্পনার পেছনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ রয়েছে বলে অভিযোগ করছে বিভিন্ন দল। পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু এখনো গুছিয়ে ওঠেনি। ফলে এই দলগুলোর নির্বাচনী কার্যক্রমে কিছুটা অগোছালোভাব রয়েছে।
আমরা প্রকাশ্যে ইনভাইট (আমন্ত্রণ) করছি, যারা নির্বাচন করতে চায়, তারা আমাদের মনোনয়নপত্র তুলুক। আমাদের দরজা সবার জন্য খোলা। যেকোনো ব্যক্তি আমাদের মার্কা (সোনালি আঁশ) নিয়ে নির্বাচন করতে পারবে। ৩০০ আসনেই আমরা প্রার্থী দেব
তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার
তবে গতকাল সোমবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে (বিএনএম) যোগ দিয়েছেন বিএনপির সাবেক চারজন সংসদ সদস্য। এর মধ্যে ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্যদের বিএনএমে যোগদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর ছাড়া নতুন দলটিতে নাম লেখানো অপর তিন নেতা হলেন ঝিনাইদহ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আবদুল ওহাব, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদিন এবং বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবদুর রহমান। তাঁরা সংবাদ সম্মেলন মঞ্চে উপস্থিত থাকলেও বক্তব্য দেননি। তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেন বিএনএমের মহাসচিব মো. শাহ্জাহান।
১৫ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ করা হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর।
