//

ইসরায়েলের জন্য সামরিক সহায়তা পাঠানোর এই ঘোষণাকে ‘ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন’ বলে উল্লেখ করেছে হামাস।

17 মিনিট পড়ুন
৯অক্টোবর , ২০২৩
দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর অ্যাশকেলনের কাছে একটি সামরিক যান পরিচালনা করছে ইসরায়েলি সৈন্য। ছবি: এএফপি

 

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের মধ্যে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

আল জাজিরা জানায়, রোববার থেকেই সামরিক সহায়তা পাঠানো শুরু হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন।

এক বিবৃতিতে অস্টিন জানান, যুক্তরাষ্ট্রের একটি রণতরি ও কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ ইসরায়েলের কাছাকাছি পাঠানো হচ্ছে। ইসরায়েলকে সমরাস্ত্রও দেওয়া হবে। এই অঞ্চলে যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র।

ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

অস্টিন বলেন, ‘হামাসের সর্বশেষ হামলার লক্ষ্য ইসরায়েল ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করাও হতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলের জন্য ‘অতিরিক্ত সহায়তার’ নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
ইসরায়েলের জন্য সামরিক সহায়তা পাঠানোর এই ঘোষণাকে ‘ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন’ বলে উল্লেখ করেছে হামাস।এক বিবৃতিতে হামাস জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র দখলদারিত্বকে (ইসরায়েল) সমর্থন জানিয়ে রণতরী পাঠানোর ঘোষণার অর্থ হলো আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে সরাসরি অংশ নেওয়া।

ইসরায়েলের জন্য ‘অতিরিক্ত সহায়তার’ নির্দেশনা বাইডেনের

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা দল রোববার প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে ইসরায়েলে চলমান সংঘর্ষ সম্পর্কে অবহিত করে।

জো বাইডেন

জো বাইডেন। রয়টার্স ফাইল ছবি

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলের জন্য ‘অতিরিক্ত সহায়তার’ নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। বিবিসি জানিয়েছে, রোববার এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস এ তথ্য জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা দল রোববার প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে ইসরায়েলে চলমান সংঘর্ষ সম্পর্কে অবহিত করে।

 বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা আমাদের ইসরায়েলি অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখবেন। ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি টিমগুলো’ ওই অঞ্চলে ইসরায়েলের সঙ্গে নিযুক্ত রয়েছে।

বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিবিএসের সঙ্গে কথা বলার সময় ব্লিঙ্কেন জানান, তাদের কর্মকর্তারা হামাস যোদ্ধাদের কাছে মার্কিন নাগরিকদের হত্যা এবং বন্দিদের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরির কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। তবে এ বিষয়ে যে প্রতিবেদনগুলো পেয়েছি, সেটা নিশ্চিত কি না তা দেখার জন্য আমরা খুব সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।

মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া শহরে গুলিতে দুই ইসরায়েলি নাগরিক নিহত হওয়ার পর সেখানকার মার্কিন দূতাবাস আমেরিকানদের ‘নিরাপত্তা এবং সতর্কতা বৃদ্ধির’ বিষয়ে সতর্ক করেছে।

মতামত দিন

Your email address will not be published.