//

প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই গুলির শব্দে আতঙ্কিত হয়ে উঠেন গ্রামবাসী।

13 মিনিট পড়ুন

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট

১ অক্টোবর ২০২৩

ছবিঃসংগৃহীত

সিলেটের বিশ্বনাথে গুলি করে আতঙ্ক ছড়িয়ে লন্ডন প্রবাসীর গেট ভাঙার পর এবার প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই গুলির শব্দে আতঙ্কিত হয়ে উঠেন গ্রামবাসী। ঘটনাটি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের মৌলভীগাঁও গ্রামের।প্রায় এক বছর ধরে এ গ্রামের মৃত মফিজ আলীর ছেলে লন্ডন প্রবাসী মাহবুব মিয়া ও নুরুল ইসলামের ছেলে সাইকুল ইসলামের মধ্যে রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে চলছে মামলা মোকদ্দমা।

একাধিকবার পুলিশ প্রশাসনসহ বৈঠক করেও কোনো সুরাহা হয়নি। লন্ডন প্রবাসী মাহবুব মিয়ার নিজস্ব জমিতে নির্মাণাধীন গেট ভাঙার জন্য বারবার অপচেষ্টা করছেন প্রতিপক্ষের লোকজন।

এমন অভিযোগ এনে রোববার বিশ্বনাথ মডেল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাহবুব মিয়ার ভাতিজা স্কুলপড়ুয়া ছাত্র আরিফ হাসান।

তিনি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রায় ১০-১১ মাস পূর্বে তার চাচা ভাই লন্ডন প্রবাসী মাহবুব মিয়া ও লেবু মিয়া প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয় করে তাদের নিজস্ব ভূমিতে একটি গেট নির্মাণ করেন; কিন্তু শত্রুতাবশত গত শুক্রবার সাইকুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা সিলেট শহর থেকে প্রায় দুই আড়াইশ সন্ত্রাসী ভাড়া এনে ফিল্মি স্টাইলে গুলি চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ওই গেটটি ভাঙা শুরু করে। গুলির শব্দে গ্রামের লোকজন এগিয়ে আসলে তাদের লক্ষ্য করেও গুলি ছোড়া হয়।

পরে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর অস্ত্র হাতে থাকা আসামিদের গ্রেফতারের জন্য বলা হলেও অস্ত্রধারী আসামিদের গ্রেফতার করা হয়নি।

এছাড়াও গেট ভাঙার ঘটনায় প্রবাসী মাহবুব মিয়ার পক্ষ থেকে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে; কিন্তু তাদের এ মামলায় আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় প্রতিদিন সন্ধ্যায় আসামিরা গুলি চালিয়ে গ্রামে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছে। এছাড়াও উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মামলা কের গেট ভাঙা ও খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতম কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

জানতে চাইলে থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম তাদের ওপর আনা অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় গুলি হয় বিষয়টি আমরা সরেজমিন গেলে কেউ বলে না। আর উভয়পক্ষ থেকে আদালতে মামলা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

মতামত দিন

Your email address will not be published.