ষড়যন্ত্র করছে সরকার, দায় চাপাচ্ছে বিরোধী দলের ওপর: রিজভী
- অনলাইন ডেস্ক
- ০৬ জানুয়ারি ২০২৪


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গণতন্ত্রের জন্য বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর আন্দোলনে জনগণ যখন ব্যাপক সাড়া দিয়েছে, তখন আবারও ক্ষমতাসীন মহল সন্ত্রাসের ওপর নির্ভর করে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। কর্তৃত্ববাদী দেশের মতো নির্বাচন আয়োজন করতে সরকার একের পর এক ষড়যন্ত্র করছে, আর দায় চাপাচ্ছে বিরোধী দলের ওপর। তাদের লক্ষ্যই হচ্ছে বিরোধী দলকে নিধন করে ক্ষমতায় টিকে থাকা।
বিএনপির ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতালের সমর্থনে শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও পিকেটিং শেষে তিনি এ কথা বলেন। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে সকাল ছয়টা থেকে দেশব্যাপী হরতাল শুরু হয়েছে।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রিজভী আরও বলেন, সরকার আবারও আগুন নিয়ে খেলা শুরু করেছে। একতরফা নির্বাচন আয়োজন করতে সেই পুরানো খেলায় মেতে উঠেছে। আগেও অগ্নিসন্ত্রাসের নারকীয় তাণ্ডব চালিয়ে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী রাজনৈতিক ফায়দা লুটার চেষ্টা করেছিল। গতকাল বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে অগ্নিকাণ্ড এবং হতাহতের ঘটনা সরকারি সে পুরানো খেলারই অংশ বলে জনগণ বিশ্বাস করে। ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ট্রেনে আগুনের ঘটনার আন্তর্জাতিক তদন্তও দাবি জানান রিজভী।
এ সময় বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য আকরামুল হাসান মিন্টু, খান রবিউল ইসলাম রবি, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, ড্যাব নেতা ডা. শরিফুল ইসলাম, ডা. সালাউদ্দিন মোল্লা, ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি তারিক উজ জামান প্রমুখ উপস্থিত ছলেন।

নতুন বছরেও ঢাকার বায়ুদূষণ অব্যাহত। গতকাল শুক্রবারের মতো আজ শনিবারও বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান শীর্ষে। সকাল ৮টায় আবহাওয়ার মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) সূচক এ তথ্য জানিয়েছে।
দূষণের তালিকায় ২৯২ স্কোর নিয়ে আজ ঢাকার বাতাস খুবই অস্বাস্থ্যকর। পাশাপাশি দুই নম্বরে থাকা চীনের সাংহাইয়ের বাতাসের মানের স্কোর ১৯৯। এই মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এ ছাড়া তালিকায় আজ শীর্ষ তিন নম্বরে আছে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কলকাতা। শহরটির বাতাসের মানের স্কোর ১৯৮। এই মানের বাতাসও নাগরিকদের জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বা বিপজ্জনক বলে বিবেচিত হয়।

ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বের অন্যতম দূষিত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে দক্ষিণ এশিয়া। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জনপ্রতি পাঁচ বছরেরও বেশি আয়ু কমতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ সহনীয় বা মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। আর ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগের দিন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) গেছেন আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল।
শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকালে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার নেতৃত্বে ৬ সদস্যের এই প্রতিনিধি দল ইসিতে যায়।
এ সময় ‘অগ্নিসংযোগ ও সন্ত্রাসীকাণ্ডে’ ভোটে না আসা বিএনপিকে অভিযুক্ত করে ইসিতে অভিযোগ দেন তারা। দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, যারা ভোট কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে আসতে চান তাদেরকে ভয়-ভীতি দেখানোর জন্যই এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হচ্ছে। তবে ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে কাউকে বাধা দেওয়া যাবে না। কারণ ভোটাধিকার একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। তাদের (বিএনপি) এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অভিযোগ জানাতে আমারা ইসিতে এসেছিলাম।
বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, দেশবাসীকে বলব সব ষড়যন্ত্র-ভয় উপেক্ষা করে আগামীকাল গণতন্ত্রের উৎসব অংশ নিন। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে উৎসবের পরিবেশ বিরাজ করবে সেখানে সাধারণ জনগণ ভোটকেন্দ্রে আসবেন এবং তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দলে কার্যনির্বাহী সদস্য তারানা হালিমও উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও দলটিতে ছিলেন আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক নাজিবুল্লাহ হিরু, উপ দপ্তর সায়েম খান, যুব মহিলা লীগের সভাপতি ডেইজি সারওয়ার।

নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে যে মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে, সেটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র।
গতকাল বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মুখপাত্র ম্যাথু মিলার।
শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের করা এক মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূসসহ চারজনকে গত সোমবার (১ জানুয়ারি) ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
গতকাল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে ড. ইউনূসের সাজার বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, নতুন বছরের প্রথম দিন নোবেলজয়ী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম পাওয়া অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে সাজার রায়ের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্রের প্রতিক্রিয়া কী? বাংলাদেশে আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সৃষ্ট চ্যালেঞ্জকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কীভাবে দেখে? বিশেষ করে দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ১০ বছরের কারাদণ্ড; অসংখ্য বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, মানবাধিকারকর্মীদের একই রকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে আরও বাজে পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার মতো বিষয়কে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কীভাবে দেখে?
জবাবে মিলার বলেন, মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এ অবদানের জন্য তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারসহ অন্যান্য অনেক আন্তর্জাতিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে রায় হওয়া মামলাটি তাঁরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। রায় নিয়ে ব্যাপক আন্তর্জাতিক সমালোচনা যুক্তরাষ্ট্রের নজরে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে তাঁরা বাংলাদেশ সরকারকে একটি ন্যায্য ও স্বচ্ছ আইনিপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য উৎসাহিত করছেন। তাঁরা যেকোনো পরবর্তী ঘটনা নিবিড়ভাবে অনুসরণ করে যাবেন।
আরেক প্রশ্নে বলা হয়, এ সপ্তাহের শেষ দিন বাংলাদেশে নির্বাচন হবে। নির্বাচনে ডামি প্রার্থী ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকাশ্য নির্দেশনা দিয়েছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গঠনমূলক পরামর্শ উপেক্ষা করেছেন। মার্কিন সরকার কি এমন একটি ডামি নির্বাচনকে বৈধতা দেবে? যদি তা না হয়, তাহলে বাইডেন প্রশাসন বাংলাদেশের আগামী সরকারের বিরুদ্ধে কী শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা বিবেচনা করছে? গত সপ্তাহান্তে বিবিসি ‘বাংলাদেশ: যে নির্বাচন এক নারীর প্রদর্শনীতে পরিণত হয়েছে’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন করেছে।

জবাবে মিলার বলেন, তাঁর মনে হয়, তিনি এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর আগে দিয়েছেন। কিন্তু নতুন বছর হওয়ায় তিনি আবার উত্তর দেবেন। তাঁরা বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সমর্থন করেন। তাঁরা নিবিড়ভাবে এ নির্বাচনের দিকে নজর রাখবেন। তবে কোনো ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র কী ব্যবস্থা নিতে পারে বা পারে না, সে বিষয়ে তিনি আগে থেকে কিছু বলবেন না।

২০০০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের সময় অস্ট্রেলিয়ার সিডনির স্লিপ ইন বারে বন্ধুদের সঙ্গে গিয়েছিলেন যুবরাজ ফ্রেডরিক। সেখানে তাঁর সঙ্গে ম্যারির দেখা হয়। ম্যারি তখন অস্ট্রেলিয়ায় একজন বিজ্ঞাপন নির্বাহী হিসেবে কাজ করতেন।
পরে ম্যারি আবিষ্কার করলেন ফ্রেডরিক ডেনমার্কের যুবরাজ। এমনকি তাঁর বন্ধুরা ইউরোপীয় অনেক রাজপরিবারের সদস্য। তাঁদের মধ্যে ফ্রেডরিকের ছোট ভাই প্রিন্স জোয়াচিম, চাচাতো ভাই গ্রিসের প্রিন্স নিকোলাস রয়েছেন।
বেশ কয়েক বছর আগে এক সাক্ষাৎকারে ম্যারি বলেছিলেন, ‘প্রথমবার যখন আমাদের দেখা হয়, আমরা দুজন হাত মিলিয়েছিলাম।’
ম্যারি বলছিলেন, ‘আমি জানতাম না, তিনি ডেনমার্কের যুবরাজ। আধা ঘণ্টা পর একজন এসে আমাকে বলেছিলেন, ‘আপনি কি জানেন, এঁরা কারা?’
১৯৭২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার হোবার্টে জন্ম ম্যারি ডোনাল্ডসনের। তিন থেকে সাড়ে তিন বছর দুজন অনেক দূরে থাকলেও অত্যন্ত সতর্কভাবে সম্পর্ক চালিয়ে গেছেন। খুব গোপনীয়ভাবে তাঁরা অসংখ্যবার দেখা–সাক্ষাৎও করেছেন। অবশেষে ২০০৩ সালের অক্টোবরে তাঁদের বাগ্দান হয়। পরে ২০০৪ সালের ১৪ মে কোপেনহেগেন ক্যাথেড্রালে তাঁদের বিয়ে হয়।
অস্ট্রেলীয় বংশোদ্ভূত ডেনমার্কের জনপ্রিয় ক্রাউন প্রিন্সেস ম্যারি হতে যাচ্ছেন দেশটির পরবর্তী রানি। ১৪ জানুয়ারি তাঁর স্বামী যুবরাজ ফ্রেডরিক সিংহাসনে বসবেন। তিনি তাঁর মা দ্বিতীয় মারগ্রেথের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
ডেনমার্কে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু রয়েছে। আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা নির্বাচিত সরকারের হাতে। সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী। রাজপরিবারের ক্ষমতার চর্চা ঐতিহ্য ও আনুষ্ঠানিকতায় সীমিত।
সম্প্রতি খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রানি দ্বিতীয় মারগ্রেথ ক্ষমতা গ্রহণের ৫২ বছর পর সিংহাসন ছাড়ার ঘোষণা দেন। ভাষণে সন্তান ফ্রেডরিককে সিংহাসনের উত্তরাধিকার ঘোষণা করে জানান, বয়স ও স্বাস্থ্যের কারণে তিনি ক্ষমতা ছেড়ে দিচ্ছেন।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর তিনি ইউরোপের দেশগুলোয় সবচেয়ে বেশি দিন সিংহাসনে থাকা রাষ্ট্রপ্রধান। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রানি মারগ্রেথের পিঠে সফল অস্ত্রোপচার হয়েছিল।
গত রোববার ভাষণে রানি মারগ্রেথ বলেন, ‘ওই অস্ত্রোপচার স্বাভাবিকভাবে আমাকে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবিয়েছে। আমি চিন্তা করেছি, পরের প্রজন্মের কাছে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার সময় নিয়ে।’
আমি জানতাম না, তিনি ডেনমার্কের যুবরাজ। আধা ঘণ্টা পর একজন এসে আমাকে বলেছিলেন, আপনি কি জানেন, এঁরা কারা?
ডেনমার্কের রানি আরও বলেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এখনই দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার সময়। ২০২৪ সালের ১৪ জানুয়ারি, আমার প্রিয় বাবার উত্তরসূরি হওয়ার ৫২ বছর পর, আমি ডেনমার্কের রানির পদ থেকে পদত্যাগ করব। ছেলে যুবরাজ ফ্রেডেরিক সিংহাসনে আমার স্থলাভিষিক্ত হবে।’
ম্যারি শুরু থেকেই ডেনমার্কবাসীর হৃদয়ে নিজের একটা ভাবমূর্তি তৈরি করেছিলেন। দ্রুত দেশটির ভাষা শিখে ডেনমার্কবাসীর মনে ছাপ রেখেছেন।
ডেনিশ টেলিভিশন টিভি২ গত ডিসেম্বরে এক জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করে যাতে বলা হয়, দেশটির রাজপরিবারের সদস্যদের মধ্যে জনপ্রিয় তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ম্যারি। প্রথম স্থানে ব্যাপক জনপ্রিয় রানি মারগ্রেথ। এরপরই তাঁর ছেলে ফ্রেডরিক।

ম্যারিকে প্রায়ই তাঁর ফ্যাশন স্টাইল, লম্বা কালো চুল এবং ডেনমার্ক ও আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিনে সুন্দর সুন্দর পোশাকে নিয়মিত হাজির হতে দেখা যায়। তাঁকে যুক্তরাজ্যের ক্রাউন প্রিন্সেস কেটের সঙ্গে তুলনা করা হয়।
বুলিং, পারিবারিক সহিংসতা ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার বিরুদ্ধে কাজ করার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য ও নারী অধিকারের প্রসারে কাজ করায় ম্যারির বেশ খ্যাতি রয়েছে।
ম্যারি ও ফ্রেডরিককে বেশ আধুনিক দম্পতি বলে বিবেচনা করা হয়। ইতিহাসবিদ সেবাস্তিয়ান ওল্ডেন-জোরগেনসেনের মতে, দুজনেই পপসংগীত, আধুনিক শিল্প–সাহিত্য ও খেলাধুলা পছন্দ করেন।
এই দম্পতির এখন চার সন্তান রয়েছে। বড় সন্তান ১৮ বছরের প্রিন্স ক্রিস্টিয়ান। বাবার পর তিনি সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হতে পারেন। এরপর ১৬ বছরের প্রিন্সেস ইসাবেলা এবং জমজ প্রিন্স ভিনসেন্ট ও প্রিন্সেস জোসেফাইন। আগামী সপ্তাহে তারা ১৩ বছরে পা রাখবে।
দুজনই তাঁদের চার সন্তানকে যতটা সম্ভব সাধারণ মানুষের মতো লালনপালন করতে চেয়েছেন। তাদের পড়িয়েছেন সরকারি স্কুলে। তাঁদের প্রথম সন্তানকে তাঁরা দিবাযত্ন কেন্দ্রেও রেখেছিলেন।
প্রায় প্রতি বছরই ম্যারি স্বামী-সন্তানদের নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বেড়াতে যান, যেখানে তাঁকে সারাক্ষণ অনুসরণ করে গণমাধ্যম।
ডেনমার্কে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু রয়েছে। আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা নির্বাচিত সরকারের হাতে। সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী। রাজপরিবারের ক্ষমতার চর্চা ঐতিহ্য ও আনুষ্ঠানিকতায় সীমিত।

ঢাকার ধামরাইয়ে বিএনপির নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ। এ সময় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার সূতিপাড়া ইউনিয়নের কালামপুর বাজারের গাজী মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকালে কালামপুর এলাকায় বিএনপির মিছিল বের হলে এসময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় বিএনপির কয়েকজনকে আটক করা হলে নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তারা পুলিশের একটি গাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর করে।
ধামরাই থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, সকালে বিএনপির মিছিল থেকে পুলিশের গাড়িতে ঢিল ছুড়া হয়। এতে গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় আমাদের তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হলেও তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ বিষয়ে আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
বুধবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান।
কাদের জানান, নির্বাচনে ১১ দেশের ৮০ পর্যবেক্ষক আসবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা আগে থেকেই ঢাকায় আছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ৫০ জন বিদেশি সংবাদকর্মী এসেছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
তিনি বলেন, এবার নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ অধিকার প্রয়োগ করতে পারছে। যেখানে তারা আচারণবিধি লঙ্ঘন দেখছে সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বিষয়ে তাদের অবস্থান দৃশ্যমান।
এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা বলেছেন, আমি মনে করি, নির্বাচনের মাঠ আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। কোনো অনিয়ম পেলে আপনারা (সাংবাদিক) ছবি তোলেন, প্রমাণ দেন, আমরা সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নেব।
বুধবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসি ভবনে আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
রাশেদা সুলতানা বলেন, আমি মনে করি, নির্বাচনের মাঠ আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। কোনো অনিয়ম পেলে আপনারা (সাংবাদিক) ছবি তোলেন, প্রমাণ দেন, আমরা সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন নেব। যেখানেই অনিয়ম সেখানেই আমাদের অ্যাকশন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন কারণে প্রার্থিতা বাতিলের মতো ঘটনাও ঘটেছে। আপনারা দেখেছেন এর আগে আমরা গাইবান্ধায় ভোটও বন্ধ করেছি।
তিনি বলেন, আমাদের যত আয়োজন, সব নির্বাচন ঘিরেই। তাই নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রাখতে আজ থেকে সেনাবাহিনীকে নামানো হয়েছে। শুধু সেনাবাহিনী নয়, আমাদের যত বাহিনী আছে সবই এখন সুশৃঙ্খল ও উন্নত হয়েছে।
ভোটের পরিবেশ কেমন হবে– সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোট এখন যেটা হচ্ছে সেটা উৎসবমুখর ও সুন্দর হবে, এটা আমি বলতে পারি। ১৯৯৬ সালে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হওয়ার কারণে সেই নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তাই আমরা এবারের নির্বাচনে কোনো বিতর্ক তৈরি করতে চাই না। আমরা আমাদের জনগণ ও আন্তর্জাতিক বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই। ভালো নির্বাচন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মিডিয়া, পত্রিকা দেখে আমার মনে হচ্ছে সরকার চাইছে একটা ফ্রি ফেয়ার ইলেকশন হোক।
ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কেমন হবে– সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রাশেদা সুলতানা বলেন, আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনার বিষয়টি। সেজন্য বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা প্রচার করে যাচ্ছি। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রের প্রাণ, ভোটাররা না থাকলে নির্বাচন নিষ্প্রাণ হয়ে যাবে। তবে আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে যেসব তথ্য পাচ্ছি তাতে আমরা আশাবাদী ভোটকেন্দ্রে অনেক ভোটার আসবে।
একটি বড় দলের (বিএনপি) নির্বাচনে না আসার বিষয়টাকে কীভাবে দেখছেন– এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলগুলোর জন্য ভোটে আসা না আসা তাদের স্বাধীন ইচ্ছা। কিন্তু সেজন্য তো ভোট থেমে থাকবে না। আর ভোটকে কোনোভাবে প্রতিহত করা যাবে না এবং কোনো নাশকতামূলক কাজ করা যাবে না। এগুলো যদি তারা করে, তাহলে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। তবে সব দল নির্বাচনে এলে একটা স্বস্তির বিষয় হতো, একটা উৎসবের বিষয় থাকত। এখন সেটা অতটা নেই সেটা তো আর অস্বীকার করার কিছু নেই।

লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাসের উপপ্রধান সালেহ আল-আরৌরি নিহত হয়েছেন। তার গুপ্তহত্যার ঘটনা ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধ অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা পেরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যর অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার যে শঙ্কা এতদিন ছিল তা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বুধবার (৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মঙ্গলবার লেবাননের বৈরুতের দক্ষিণে দাহিয়েহ এলাকায় ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় আল-আরৌরি তিনি ছাড়াও এই হামলায় আরও পাঁচ হামাস সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত আল-আরৌরি হামাসের পলিট ব্যুরোর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি সংগঠনটির সামরিক বিষয়ে গভীরভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। গত নভেম্বরে কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যকার সাময়িক যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তির একজন প্রধান আলোচক ছিলেন তিনি। এর আগে ইসরায়েলের অধিকৃত পশ্চিম তীরে হামাসের কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়েছেন ৫৭ বছর বয়সী আল-আরৌরি।
দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি নাগরিকদের ওপর প্রাণঘাতী হামলার জন্য আল-আরৌরিকে দায়ী করে আসছে ইসরায়েল। তবে হামাসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, গাজা যুদ্ধের ফলাফল ও হামাসের হাতে বন্দি ইসরায়েলিদের মুক্তি নিয়ে কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তিনি।
হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ ইসরায়েলি এই হামলার নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। লেবাননের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। হামাসকে পরাজিত করা যাবে না।’
হামাসের পলিট ব্যুরোর সদস্য ইজ্জাত আল-শারক এই হামলাকে কাপুরুষোচিত গুপ্তহত্যা বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, আবারও প্রমাণিত হলো গাজা উপত্যকায় শত্রুরা তাদের আক্রমণাত্মক লক্ষ্য অর্জনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
এ ছাড়া আল-আরৌরিকে হত্যার প্রতিবাদে ইসরায়েলের সঙ্গে বন্দিবিনিময় চুক্তি সম্পর্কিত আলোচনা স্থগিত করেছে হামাস। সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়ার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে জেরুজালেম পোস্ট। গত নভেম্বরে সাত দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিনিময়ে ১১০ ইসরায়েলি বন্দিকে হামাস মুক্তি দিলেও এখনো তাদের হাতে শতাধিক বন্দি আছেন।
এ ছাড়া আল-আরৌরিকে হত্যার সমুচিত জবাব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন হামাসের মিত্র হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননের দক্ষিণ সীমান্তজুড়ে ইসরায়েলের সাথে প্রায় প্রতিদিনই গুলি বিনিময় করছে হিজবুল্লাহ। আল-আরৌরির হত্যাকাণ্ডের পর পর মঙ্গলবার মার্জের আশপাশে ইসরায়েলি সেনাদের নিশানা করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।
এখনো এই হামলার দায় স্বীকার করেনি ইসরায়েল। অবশ্য এই ধরনের হামলার ক্ষেত্রে এমন নীতিই অবলম্বন করে আসছে তেল আবিব। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উপদেষ্টা মার্ক রেগেভ মার্কিন নিউজ চ্যানেল এমএসএনবিসিকে বলেছেন, এই হামলা থেকে পরিষ্কার যে এটা লেবাননের ওপর হামলা না। এটা হামাস নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কৌশলগত হামলা।
ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হাগারি বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তারা যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
হামাস ও হিজবুল্লাহর প্রধান সমর্থক ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানানি বলেছেন, আল-আরৌরির হত্যাকাণ্ড নিঃসন্দেহে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ধমনিতে আরেকটি ঢেউ জাগিয়ে তুলবে। দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রেরণা জোগাবে। এই লড়াই শুধু ফিলিস্তিনেই নয়, মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বের সব স্বাধীনতাকামীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে।
অন্যদিকে আল-আরৌরিকে হত্যার প্রতিবাদে অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লা ও অন্যান্য শহরে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। শত শত ফিলিস্তিনি এই ধর্মঘট পালন করছেন। তারা ‘প্রতিশোধ’, ‘প্রতিশোধ’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন।
এ ছাড়া গাজায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হলে লোহিত সাগরে জাহাজে হামলা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরান-সমর্থিত ইয়েমানের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। এমনকি হুতি সদস্যরা মঙ্গলবার দক্ষিণ লোহিত সাগরে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।

আজ বুধবার বিকাল ৩টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবন থেকে পাঁচ জেলা ও এক উপজেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি অংশ নেবেন।
আওয়ামী লীগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা পর্যায়ক্রমে রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলা, রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী জেলা ও মহানগর, ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল জেলা, চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা, কুমিল্লা উত্তর-দক্ষিণ জেলা ও মহানগর এবং চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।
কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট জেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা বা থানা, পৌর আওয়ামী লীগ, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা উপস্থিত থাকবেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ভার্চুয়াল জনসভা সফলভাবে শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।